মঙ্গলবার, ১৭ই মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

জনপ্রিয় চলচ্চিত্র পরিচালক, কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার, প্রযোজক ও অভিনেতা

কাজী হায়াতের জন্মদিন আজ

জনপ্রিয় চলচ্চিত্র পরিচালক, কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার, প্রযোজক ও অভিনেতা কাজী হায়াতের জন্মদিন আজ। সহকারি পরিচালক হিসেবে চলচ্চিত্রাঙ্গনে পদার্পন করে ইতোমধ্যেই নির্মাণ করেছেন পঞ্চাশটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, যার অধিকাংশই পেয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। অসংখ্য সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে নিজেকে দক্ষ অভিনেতা হিসেবেও প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন।
কাজী হায়াৎ তার চলচ্চিত্র জীবনে আন্তর্জাতিক, জাতীয় ও অন্যান্য চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ সর্বমোট ৭৩টি চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন। তিনি চারটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। দাঙ্গা চলচ্চিত্রের জন্য আফ্রো-এশিয়ো সরিডরি কমিটি এ্যাওয়ার্ড কর্তৃক প্রদেয় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। চলচ্চিত্র পরিচালনা এবং লেখনীর জন্য তিনি চারটি ভিন্ন ভিন্ন বিভাগে নয়টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং লেখনীর জন্য তিনটি বাচসাস পুরস্কার লাভ করেন।
তাঁর পরিচালিত চলচ্চিত্রসমূহ:
দি ফাদার (১৯৭৯)
দিলদার আলী (১৯৮০)
খোকন সোনা (১৯৮২)
রাজবাড়ী (১৯৮৪)
মনা পাগলা (১৯৮৪)
বেরহম (১৯৮৫)
পাগলী (১৯৮৬)
দায়ী কে? (১৯৮৭)
যন্ত্রণা (১৯৮৮)
আইন-আদালত (১৯৮৯)
দাঙ্গা (১৯৯১)
ত্রাস (১৯৯২)
চাঁদাবাজ (১৯৯৩)
সিপাহী (১৯৯৪)
দেশপ্রেমিক (১৯৯৪)
লাভ স্টোরি: প্রেমের গল্প (১৯৯৫)
দেশদ্রোহী (১৯৯৭)
লুটতরাজ (১৯৯৭)
পাগলা বাবুল (১৯৯৭)
তেজী (১৯৯৮)
আম্মাজান (১৯৯৯)
জবরদখল (১৯৯৯)
ধর (১৯৯৯)
জখম (২০০০)
কষ্ট (২০০০)
ঝড় (২০০০)
ধাওয়া (২০০০)
বর্তমান (২০০০)
ক্রোধ (২০০১)
আব্বাজান (২০০১)
পাঞ্জা (২০০১)
তান্ডবলীলা (২০০২)
ইতিহাস (২০০২)
সমাজকে বদলে দাও (২০০২)
মিনিস্টার (২০০৩)
অন্ধকার (২০০৩)
অন্য মানুষ (২০০৪)
কাবুলিওয়ালা (২০০৬)
ক্যাপ্টেন মারুফ (২০০৭)
একজন সঙ্গে ছিল (২০০৭)
শ্রমিক নেতা (২০০৯)
অশান্ত মন (২০১০)
আমার স্বপ্ন (২০১০)
ওরা আমাকে ভাল হতে দিল না (২০১০)
পিতা পুত্রের গল্প (২০১১)
মানিক রতন দুই ভাই (২০১২)
ইভটিজিং ( ২০১৩)
সর্বনাশা ইয়াবা (২০১৪)
ছিন্নমূল (২০১৬)
বীর (২০২০)।

বর্ণলিপি বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়